সুস্থতার জন্য খাদ্যের পুষ্টিগুণ জানা ও প্রতিদিন নিয়ম মেনে পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি। শৈশবে সুষম খাদ্যের ঘাটতি পরবর্তীতে দৈহিক এবং মানসিক বিকাশে বাঁধা সৃষ্টি করতে পারে। তাই শারীরিক ও মানসিক বিকাশে পুষ্টিকর খাবারের গুরুত্ব অনেক।
সুষম খাবার যে খাবারের মধ্যে মানবদেহের জন্য প্রয়োজনীয় সকল খাদ্য উপাদান পরিমাণমত থাকে, তাকেই এক কথায় সুষম খাদ্য বলা হয়। সুষম খাদ্যে প্রয়োজনীয় ছয়টি খাদ্য উপাদান বিদ্যমান থাকে। যেমনঃ আমিষ, শর্করা, স্নেহ পদার্থ, খনিজ লবণ, ভিটামিন ও পানি।
সুষম খাবার সম্পর্কে আরও জানতে ভিডিওটি দেখুন:
সুষম খাবারের গুরুত্ব সম্পর্কে জানতে নিচের তথ্যচিত্রটি পড়ুনঃ
সুষম খাদ্যের প্রয়োজনীয়তাঃ
- শরীরকে সুস্থ ও সবল রাখে, শক্তি ও কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে
- দেহের ক্ষয়পূরণ ও দেহের বৃদ্ধি অর্থাৎ দৈহিক গঠনে কাজ করে
- রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
- শারীরিক ও মানসিক বিকাশ নিশ্চিত করে
- ত্বক ও চুল ভালো রাখতে সাহায্য করে
- নিদ্রার উন্নতি করে মানসিক চাপ কমায়
এছাড়াও বিকেলের নাস্তায় ভাজাপোড়া না খেয়ে ঘরে তৈরি করা হালকা নাস্তা বা পাউরুটি, দুধ, মুড়ি বা দেশীয় যেকোনো ফলমূল খাওয়া ভালো। বিকেল থাকতে থাকতেই নাস্তা সেরে ফেলা ভালো এবং রাতের খাবার তাড়াতাড়ি খেয়ে নেওয়া। একজন সুস্থ মানুষের প্রতিদিন কমপক্ষে ২.৫ থেকে ৩ লিটার পানি পান করতে হবে।
