ভাইরাল জ্বর

ভাইরাল জ্বর কী?

বিভিন্ন ভাইরাস (ভাইরাল) জনিত সংক্রমণের কারণে যে জ্বর হয়ে থাকে তা মূলত ভাইরাল ফিভার বা ভাইরাল জ্বর নামে পরিচিত। সাধারণ জ্বরের থেকে ভাইরাল জ্বর তীব্র হয়ে থাকে। ঋতু পরিবর্তনের সময় সাধারণত এই জ্বর বেশি হয়ে থাকে, যেমন বর্ষাকাল, শীতকাল ইত্যাদি। এই জ্বর সাধারণত ৩-৫ দিন স্থায়ী হয়, তবে কিছু গুরুতর ক্ষেত্রে এই জ্বর ১৪ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। শিশুদের এবং দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন ব্যক্তিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।

ভাইরাল জ্বরের লক্ষণ:
  • শরীরে অতিরিক্ত তাপমাত্রা (১০২-১০৩ ডিগ্রী)
  • পেশী ব্যথা
  • ক্ষুধা মন্দা
  • ঘাম
  • ঠাণ্ডা
  • মাথাব্যথা
  • দুর্বলতা
  • পানিশূন্যতা
ভাইরাল জ্বরের কারণ:
  • যেকোনো প্রাণী বা পোকামাকড় একটি ভাইরাসের বাহক হতে পারে এবং তাদের কামড় আপনাকে সংক্রামিত করতে পারে
  • যেকোনো পানীয় বা খাবার থেকেও আপনি সংক্রমিত হতে পারে
  • সংক্রমিত ব্যক্তির হাঁচি- কাশি থেকেও ভাইরাসের আক্রান্ত হতে পারে
  • অনিরাপদ শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমেও একজন থেকে অন্যজন সংক্রমিত হতে পারে
ভাইরাল জ্বরের চিকিৎসা: সাধারণত, ভাইরাল জ্বরের চিকিৎসা সংক্রমণের তীব্রতা এবং প্রকারের উপর ভিত্তি করে করা হয়।
  • বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা সেবা নিতে হবে।
  • ভেজা কাপড় দিয়ে হালকা করে শরীর মুছে ফেলতে হবে।
  • ভাইরাল জ্বর শরীরকে পানিশূন্য করে ফেলে তাই এসময় শরীরে পানির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে বেশি বেশি পানি এবং তরল খাবার খেতে হবে।
** যে কোন ভাইরাল ইনফেকশনে অ্যান্টিবায়োটিক বা স্টেরয়েড ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন করবেন ভাইরাল জ্বর প্রতিরোধের উপায়সমূহ:
  • ব্যক্তিগত পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা
  • নোংরা ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ এড়িয়ে চলা
  • সংক্রমণ এড়াতে সরকার প্রদেয় দরকারি টিকাগুলো (রুটিন টিকা-যক্ষ্মা (টিবি), ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশ (পারটুসিস), ধনুষ্টংকার (টিটেনাস), পোলিও ও হাম) গ্রহণ করা
  • ব্যবহৃত কাপড় নিয়মিত পরিষ্কার রাখা এবং দিনের শেষে গোসল করা
  • ব্যক্তিগত জিনিসপত্র যেমন রুমাল, গামছা, ব্যবহৃত কাপড় চোপর ইত্যাদি অন্যদের সাথে শেয়ার করবেন না
তথ্য সূত্র: https://www.bajajfinservhealth.in/bn/articles/viral-fever-symptoms
Scroll to Top